বিপা চৌধুরী প্রতিবেদক, বিডিঅনলাইন ম্যাগাজিন,Published. Sat.May, 9. 2026.,
2,10, am
গ্ল্যামার ক্যামেরা আর লাইট এর বাহিরেও তারকাদের রয়েছে এক বিশাল জগত। যেখানে শুধু অভিনয় নয় কথা বলে পোশাক এবং ব্যক্তিত্ব।
এক সময় যা ছিল স্রেফ সৌখিনতা 2026 এর এই সময় দাঁড়িয়ে তাই এখন হয়ে উঠেছে পাওয়ারফুল ব্র্যান্ডিং।
শুরুটা করা যাক মেগা স্টার শাকিব খানকে দিয়ে –
৯০ দশকের সেই হিরো ইমেজ ঝেড়ে ফেলে শাকিব এখন অনেক বেশি প্রিমিয়াম । তিনি এখন নিজেকে প্রেজেন্ট করছেন একজন গ্লোবাল আইকন হিসেবে। শাকিব এখন শুধু একজন অভিনেতা নন একাই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যান্ড। বলতে গেলে তিনি নিজেই এখন একটা ইন্ডাস্ট্রি।
আরিফিন শুভ :
style is the new currency এই পরিবর্তনের সব থেকে বড় উদাহরণ আরিফিন শুভ। বাংলাদেশের প্রথম কোন সুঠাম দেহের একশন আইকন হিসেবে নিজেকে ব্র্যান্ডিং করেছেন। তার এই ফিজিক্যাল ট্রান্সফরমেশন তাকে নিয়ে গেছে অনেক উঁচুতে।
পিছিয়ে নেই নায়িকারাও
এই ডিজিটাল যুগে ব্র্যান্ডিং এর নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জয়া আহসান।
ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকতে চালু করেছেন নিজের ইউটিউব চ্যানেল বানাচ্ছেন নিজের দৈনন্দিন ভিডিও ব্লগস।
আর মেক ওভারে তো রীতিমতো চমকে দিয়েছেন তিনি।
এদিকে গ্ল্যামার যখন ব্র্যান্ড ভ্যালুতে রূপান্তরিত হয় তখন অবধারিতভাবে প্রথম নামটি আছে বিদ্যা সিনহা মিমের। কর্পোরেট ব্রান্ডের পছন্দের শীর্ষে এখন তিনি।
তবে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্র্যান্ডিং এর হাতিয়ার হিসেবে সবথেকে বেশি ব্যবহার করেছেন পরীমনি। তার বোল্ড স্টেটমেন্ট আর ভিউজুয়াল প্রেজেন্টস নতুন প্রজন্মের কাছে এক নতুন আলোচনা।
আবার মেহজাবিন চৌধুরী কিংবা আরফান নিশোরা হাঁটছেন ভিন্ন পথে। দেশীয় রূপে তারা তৈরি করেছেন ব্রান্ড ফ্রেন্ডলি ইমেজ।
সবমিলিয়ে 2026 এর বিনোদন বাজার শুধুমাত্র অভিনয়ে সীমাবদ্ধ নয় এখানে প্রতিটি পোশাক এক একটি স্টেটমেন্ট। আর প্রতিটি লুক একটা স্টাটিজি।
নোটিজনরা বলছেন এখনকার তারকারা জানেন শুধু অভিনয় দিয়ে ক্ষণস্থায়ী জনপ্রিয়তা পাওয়া সম্ভব কিন্তু আইকন হতে হলে প্রয়োজন একটি পার্সোনাল ব্র্যান্ড। সে ব্র্যান্ড তৈরীর লড়াইয়ে ফ্যাশনই এখন সবচেয়ে ধারালো অস্ত্র।












Leave a Reply